Logo
বিজ্ঞপ্তি
DBC বাংলা News এর জেলা এবং উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে

সাশ্রয়ী মূল্য হওয়ায় বগুড়ার মহাস্থান হাটে প্রতিদিন প্রায় ত্রিশ মণ মিষ্টান্ন বিক্রি হয়

মোঃ ওবায়দুর রহমান / ২১২
মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১

বিশেষ প্রতিবেদক, বগুড়াঃ মিষ্টি পট্টি নামেই সবাই চেনে। মহাস্থান বাজারের মধ্যে প্রায় একই সারিতে ১০টি মিষ্টান্নের দোকান রয়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রত্যেক দোকানে হরেক রকম রসগোল্লা, জিলাপী, নিমকি, বাতাসা, দইসহ বিভিন্ন প্রকারের মিষ্টির পসরা সুন্দর করে সাজানো থাকে। দেখেই যেন জিহ্বায় জল এসে যায়। তুলনামূলক দাম কম হওয়ায় বেচা বিক্রি অনেক বেশি। হাটে আগত ক্রেতা বিক্রেতাদের অনেকেই গরম গরম জিলাপি ও রসগোল্লার স্বাদ নিয়ে থাকেন। মিষ্টান্নের দোকানগুলোতে বসে খাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। মিষ্টি ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ মণ মিষ্টি বিক্রি হয়ে থাকে মাস্তান বাজারে। লোকজন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ও আত্মীয়র বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য এসব মিষ্টি কিনে থাকেন।

যে মিষ্টি বগুড়া শহরে ২২০ থেকে ২৫০ টাকায় কেজি বিক্রি হয়ে থাকে সেই একই রকম মিষ্টি মহাস্থান বাজারে বিক্রি হয় ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়। এছাড়াও শহরে যে দই বিক্রি হয় ২২০ থেকে ২৫০ টাকায় সেই একই রকম দই মহাস্থানে বিক্রি হয় ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায়।

সাধ্যের মধ্যে দাম থাকায় এবং মোটামুটি মানসম্পন্ন হওয়ায় সব ধরনের ক্রেতা এখানে আসেন বলে মোজাহার দই ও মিষ্টি ঘরের সত্বাধিকারী মোজাহার হোসেন জানান।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন প্রকার রসগোল্লা প্রতি কেজি ১১০-১২০ টাকা, জিলাপি ৭০ টাকা, বাতাসা ও খাগড়াই ৯০ টাকা, সরভাজা ৭০ টাকা, লাড্ডু ৮০ টাকায় এবং দই বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। ভৈজ্যতেল ও আটা, ময়দা এবং চিনির দাম বেশি হওয়ায় বর্তমানে দাম কিছুটা বেড়েছে বলে জানা যায়। এদিকে সহনীয় দাম ও মান বজায় রাখার পাশাপাশি দোকানগুলোর পরিবেশ আরো উন্নত ও স্বাস্থ্যসম্মত হওয়া প্রয়োজন বলে সচেতনমহল মনে করেন।

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও
Theme Created By ThemesDealer.Com