Logo
ব্রেকিং নিউজ
বিজ্ঞপ্তি
DBC বাংলা News এর জেলা এবং উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে

বগুড়ায় ২য় স্ত্রীর মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে

মাহফুজ মন্ডল / ৩২১
বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

কোর্ট রিপোর্টারঃ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতে ২য় স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় কারাগারে গেলেন পুলিশ কর্মকর্তা এসআই ইফতেখায়ের গাউসুল আজম। বগুড়া চাকুরী করাকালে প্রথম স্ত্রী ও দুই সন্তানের তথ্য গোপন করে ২য় বিবাহ, ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি, ২য় স্ত্রীকে নির্যাতন করে হত্যা চেষ্টা ও গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন স্ত্রী। মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা এসআই ইফতেখায়ের গাউসুল আজম গতকাল বুধবার দুপুরে আদালতে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানী শেষে আদালতের বিচারক নুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পুলিশ কর্মকর্তা গাউসুল আজম নওগাঁ জেলায় রিজার্ভ অফিসে কর্মরত ছিলেন। তিনি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের চেঁচড়া গ্রামের শামছুল হকের ছেলে। আদালত সূত্রে জানা যায়, বগুড়ার শেরপুর পৌর এলাকার টাউন কলোনির বাসিন্দা গৃহবধূ তমানিয়া আফরিন স্বামী এসআই ইফতেখায়ের গাউসুল আজমকে আসামি করে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতে গত ২২ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেরপুর সার্কেল গাজীউর রহমান তদন্ত শেষে ওই এস আই কে অভিযুক্ত করে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করলে আদালত আসামীর বিরুদ্ধে সমন ইস্যু করেন। ওই মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা এসআই ইফতেখায়ের গাউসুল আজম গতকাল বুধবার দুপুরে আদালতে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলায় বাদিনী উল্লেখ করেন, বগুড়া সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্স শ্রেণিতে লেখাপড়া করেন। ফেসবুকে মাধ্যমে আসামির পরিচয় এবং পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রেজিস্ট্রি কাবিননামা মূলে বিয়ে করেন। পরে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা হলে জানতে পারেন যে, তার স্বামীর আগের স্ত্রী ও সন্তান আছে এবং আসামি সে বিষয় গোপন রেখে বিয়ে করেছে। এদিকে আসামি এসআই গাউসুল আজম গত ১৭ আগস্ট দুপুরে বাদিনীর বাবার বাড়ি শেরপুর টাউন কলোনির বাসায় গিয়ে যৌতুক হিসেবে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। না পেয়ে স্ত্রীকে কিল-ঘুষিসহ শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। এ ছাড়া তার তলপেটে লাথি মেরে গুরুতর আহত করায় গর্ভপাত হয়। পরে এসআই ইফতেখায়ের গাউসুল আজমকে আসামি করে ২২ সেপ্টেম্বর মামলা দায়ের করেন তিনি। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যাল ০২ এর স্পেশাল পিপি অ্যাড. আশেকুর রহমান সুজন জানান, অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা গাউসুল আজম হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। আট সপ্তাহ পর বুধবার দুপুরে তিনি নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন করলে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক নূর মোহাম্মাদ শাহরিয়ার কবীর আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও
Theme Created By ThemesDealer.Com