Logo
বিজ্ঞপ্তি
DBC বাংলা News এর জেলা এবং উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে

বগুড়ায় পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটির দ্বন্দ্বে সুষ্ঠু তদন্তের দাবীতে গোলাম রব্বানীর সংবাদ সম্মেলন

নিবির হাসান / ১২৫
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া: পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি (PUST) এর মালিকানা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ভাইস-চেয়ারম্যান (বোর্ড অব ট্রাস্টিজ) দাবীদার মো: গোলাম রব্বানী শনিবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, বিশ^বিদ্যালয়টি ২৩-১২-২০০২ ইং তারিখে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের স্মারক নং শিম/শা: ১৪/৮ বে: বি: ৮/২০০১/৪৮২ মূলে Hi-Foundation এর নামে নিবন্ধিত হয়। নিবন্ধন নং এস-২৫৮৯ এর অনুক‚লে অত্র ফাউন্ডেশনের অন্যতম সদস্য প্রফেসর ড. লুৎফর রহমান এর নামে অনুমোদন লাভ করে। গোলাম রব্বানী অভিযোগ করেন এই অনুমোদনের সাথে বেসরকারী সংস্থা টিএমএসএস এর নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ড. হোসনে আরা বেগমের কোন সম্পর্ক ছিল না। বিশ^বিদ্যালয়টি ২০০৬ সাল পর্যন্ত টিএমএস এর নিকট থেকে ভাড়া নেয়া ভবনে Hi-Foundation এর অধিনেই পরিচালিত হওয়ার সময় তৎকালিন সরকার একই বছরে বিশ^বিদ্যালয়টির অনুমোদন স্থগিত করে দেয় এবং ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিশ^বিদ্যালয়টির সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ থাকে। ২০১১ ও ২০১২ সালে Hi-Foundation পুর্নগঠিত হয়ে একই নিবন্ধনে নিবন্ধিত হয়। এই পুনর্গঠনেও টিএমএসএস এর কোন সম্পর্ক ছিল না। ২০১৩ সালে উক্ত স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে পুন:গঠিত Hi-Foundation এর পক্ষে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান বাদী হয়ে মহামান্য হাইকোর্টে দুটি রিট মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে পুনরায় বোর্ড অব ট্রাস্টিজ গঠন ও নিবন্ধিত হয়ে কার্যকর হয়। নিবন্ধন নং এস-২৫৮৯। এই বৈধ বোর্ড অব ট্রাস্টিজ বহাল থাকাবস্থায় প্রায় এক বছর পর অবৈধভাবে টিএসএমএস নির্বাহী পরিচালক ডা. হোসনে আরা বেগম Pundra শব্দের শেষ বর্ণের পরিবর্তন ঘটিয়ে কৌশলে ÔaÕ  এর স্থলে ÔoÕ প্রতিস্থাপন করে একই রকম পুণ্ড্র  ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি (PUST)  নামে আরও একটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজ গঠন করে নিবন্ধন গ্রহন করেন। যার নিবন্ধন নং ১১৭৫৯। এরপর থেকে শুরু হয় উক্ত বিশ^বিদ্যালয়ের মালিকানা নিয়ে দ্ব›দ্ব। গোলাম রব্বানী অভিযোগ করেন, হোসনে আরা বেগম বিভিন্নভাবে তার কাছ থেকে বিশ^বিদ্যালয়ের মালিকানা লিখে নিতে না পারায় তার বেসরকারী প্রতিষ্ঠান টিএমএসএস এর কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের বাদী করে গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের মে  মাসে এক সপ্তাহের মধ্যে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা, ময়মনসিং ও বগুড়া জেলাসহ দেশের বিভিন্ন আদালতে মিথ্যা অভিযোগ এনে ১৪টি মামলা দায়ের করেন। তিনি অভিযোগ করেন, একই অভিযোগে বগুড়ার বাইরের আদালত থেকে জামিন পেলেও বগুড়ার তৎকালিন জেলা ও দায়রা জজ টিএমএসএস এর নির্বাহী পরিচালক ড. হোসনে আরার ইশারায় গোলাম রব্বানীকে জামিন না দিয়ে প্রায় সাড়ে ছয় মাস কারাগারে আটক রাখেন। গোলাম রব্বানী আরও অভিযোগ করেন, ইউনিভার্সিটি নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রফেসর ড. হোসনে আরার পক্ষে জেলা ও দায়রা জজ আ. ম. মো: আবু সাঈদ নিয়ম বর্হিভুতভাবে বগুড়া জেলা কারাগারে গিয়ে পুন্ড্র ইউনিভার্সিটির দ্বন্দ্ব নিরসন ও হোসেন আরার সাথে আপোষ মিমাংসানামায় সাক্ষর করিয়ে নিয়ে ০১-১২-২০১৫ তারিখে জামিন মঞ্জুর করলেও অজ্ঞাত কারণে ১৭-১২-২০১৫ তারিখে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। গোলাম রব্বানী বলেন, একটি স্বাধীন দেশে বিচার ব্যবস্থার জন্য এমন ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও কলঙ্কিত ঘটনা, সংবিধান ও মানবাধিকারের সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন। এ ঘটনাকে তিনি জেল কেলেঙ্কারী হিসেবে উল্লেখ করে বিচার দাবী করে তিনি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ করলেও আজও তার ফলাফল জানতে পারেননি তিনি। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষী ব্যক্তিদের বিচার চান। 

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও
Theme Created By ThemesDealer.Com